ফ্রীল্যান্সিং কীভাবে শুরু করব?

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চাইলে আপনার একটই কম্পিউটার লাগবে, ইন্টারনেট সংযোগ লাগবে ব্যাস। এবার শুরু করবেন কি? তাইতো?
আপনি ফ্রীল্যান্সিং সম্পর্কে আগে একটা ধারণা নিন। অথবা আগে একটা পোষ্ট করা আছে সেটা দেখে নিন। ধারণা নিয়ে এবার কি নিয়ে ফ্রীল্যান্সিং করা যায় তা ভাবেন। কারণ এখানে তো অনেক সেক্টর আছে। যেমনঃ
ওয়েব ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট
গ্রাফিক্স ডিজাইন
ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট
ওয়ার্ডপ্রেস ঠিম কাস্টমাইজেশন
এন্ড্রোয়েড এপ্স ডেভেলপমেন্ট
সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট
ডাটা এন্ট্রি
কন্টেন্ট রাইটার
সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজার
ডিজিটাল মার্কেটিং ইত্যাদি
এছাড়াও আরও অনেক কাজ আপনি করতে পারবেন ফ্রীল্যান্সিং এ। এখন আপনি জানুন যে কোনটা কি কাজ। যেমন গ্রাফিক্স ডিজাইন কি? গ্রাফিক্স ডিজাইনে কি কাজ করতে হয়? ডান্ট্রা এন্ট্রি কি? এটা কিভাবে করে? ইত্যাদি যেনে নিন। তারপর যেটা ভাল লাগবে বা আপনার সুবিধা মনে হবে, তা নিয়ে এগোতে থাকুন।
ধরেন আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন পছন্দ করলেন বা আপনার এটা পছন্দ হলো, আপনি এবার এটা নিয়েই ভাবা শুরু করেন আর কোন দিকে তাকানোর দরকার নাই। কারণ ফ্রীল্যান্সিং এ সব ধরণের কাজেরই ডিমান্ড প্রচুর।
গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়ে ঘাটাঘাটি করেন ইন্টারনেটে। এটা কি? এটা কিভাবে করতে হয়? এই ধারণা গুলো নিয়ে এবার আপনি শেখা শুরু করেন। ইউটিউবে অনেক টিউটোরিয়াল আছে শেখার জন্য। গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে কি কি লাগবে তা ডাউনলোড করেন বা কিনে নেন। একেবারে শুরু থেকে শিখতে থাকুন।
যেকোন একটা নিয় এগোতে থাকুন। ভুলেও এটা ছেড়ে ওটা, ওটা ছেড়ে আরেকটা এই ভুল করিয়েন না। এতে আপনি কিছুই অর্জন করতে পারবেন না। প্রথম প্রথম কাজ পারলেন তারপর জটিল মনে হবে, তখন বলবেন ধুর এটা কঠিন অন্যটাতে দেখি…
এরকম করলে শেখা সম্ভব না। তাই যেকোন একটাতেই মন প্রাণ দিয়ে লেগে থাকুন। প্রথম ৬ মাস কাজ শিখতে থাকুন। প্রথম ছয় মাস শুধু শিখবেন, অন্য কোথাও তাকাবেন না। এরপর যখন আপনি হালকা পাতলা কাজ করতে পারবেন বলে মনে হবে, তখন মার্কেটপ্লেসে আসবেন।
মার্কেটপ্লেস কি?
মার্কেটপ্লেস হলো যেখানে আপনি কাজ পাবেন। যেমন মাছের বাজারে আপনি মাছ পাবেন ঠিক তেমনি ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে আপনি কাজ পাবেন। বড় বড় জনপ্রিয় কিছু মার্কেটপ্লেস হলোঃ ফাইভার, ফ্রীল্যান্সার, আপওয়ার্ক, পিপল পার আওয়ার ইত্যাদি।
এসব মার্কেটপ্লেসে অনেক ফ্রীল্যান্সার আছে। এরা বিভিন্ন ধরণের কাজ করে থাকে ও বিভিন্ন অফার করে। যেমন মাছের বাজারে অনেকে মাছ নিয়ে বসে থাকে। কাস্টমার এসে যেই মাছ ভাল লাগে বা যেই মাছ ভাল লাগে আবার দামও কম সেই মাছ কিনে নিয়ে যায়, ঠিক তেমনি আপনাকে আপনার কাজের নমুনা মার্কেটপ্লেসে দিতে হবে ও ভাল অফার দিতে হবে।
যেমন আপনি আপনার কাজের ভাল কিছু নমুনা নিলেন, সাথে আপনি প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য দিলেন যা বায়ারকে আকৃষ্ট করবে এবং একটা ভাল প্রাইজ রাখলেন। তাহলে কোন বায়ার সেটা দেখে পছন্দ করে, তাহলে সে আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারে এবং কাজের ব্যাপারে কথা বলতে পারে, আপনাকে পছন্দ হলে তিনি কাজ দেবে আর সেই কাজ করে দিলে তিনি আপনাকে আপনার পারিশ্রমিক দেবে। এটাই ফ্রীল্যান্সিং…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *