#ফ্রিল্যান্সিং_এর_জন্য_ইংরেজি_জানা_সবচেয়ে_বেশি_জরুরি

 

আজ অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং এ ইংরেজির গুরুত্ব নিয়ে কথা বলবো,

আপনি ইংরেজি শিখতে চান। সবচেয়ে বড় উপদেশ, কিছু একটা করুন। কিছু না করে ফল পাওয়ার আশা নেই। ইংরেজিকে পছন্দ করুন, টিভিতে ইংরেজি অনুষ্ঠান দেখুন, খবর শুনুন, ইংরেজি ছবি দেখুন, প্রতিটি বক্তব্য বোঝার চেষ্টা করুন। সম্ভব হলে ইংরেজি পত্রিকা-বই পড়ুন।কথাটা যত সহজে বলা গেল কাজ তত সহজ না সেটা নিশ্চয়ই জানেন। ইংরেজি শেখার জন্য বহু পথ রয়েছে যার মাধ্যমে আপনার ইংরেজিতে উন্নত করতে পারেন। যদি একটি বিষয় মাথায় রাখেন, শিখতে হবে আপনাকেই। অন্য কেউ আপনাকে শিখিয়ে দিতে পারে না।সহজে ইংরেজি শেখার জন্য আপনি যে বিষয়গুলির দিকে দৃষ্টি দেবেন সেগুলি জেনে নিন।

নিজেকে আগ্রহি করা

আপনার আগ্রহ কতখানি তারওপর নির্ভর করে আপনি কত সহজে, কত ভালভাবে ইংরেজি শিখবেন। নিজেকে প্রশ্ন করুন;

* আপনার ইংরেজি শেখা/ইংরেজিকে উন্নত করা কেন প্রয়োজন

* ইংরেজি কোথায় ব্যবহার করবেন

* আপনার কোন বিষয়ে দক্ষতা প্রয়োজন (পড়া, লেখা, শোনা, কথা বলা)

* কতদিনের মধ্যে আপনার পর্যাপ্ত ইংরেজি শেখা প্রয়োজন

* আপনি এজন্য কতটুকু সময় ব্যয় করতে পারেন

* যদি অর্থ খরচ করা প্রয়োজন হয় কতটা অর্থ খরচ করতে প্রস্তুত আছেন

* শেখার জন্য আপনার নিজস্ব কোন পরিকল্পনা আছে কিনা

একটা লক্ষ স্থির করা

আপনি ইংরেজি শিখতে চান কারন ইংরেজি আপনার নিজের ভাষা না, প্রয়োজন। প্রয়োজনের ওপর নির্ভর করে আপনি কি শিখবেন, কতটুকু শিখবেন। সাধারন কথাবার্তার জন্য অল্প কিছু প্রয়োজনীয় বিষয় শেখা যথেষ্ট হতে পারে। যদি ইংরেজিতে লিখতে চান তাহলে প্রয়োজন দীর্ঘকালীন প্রস্তুতি। আপনার শেখার কারনের ওপর নির্ভর করবে আপনিযদি ইংরেজি কোর্স করেন তাহলে ৩ মাসের করবেন নাকি ৬ মাসের করবেন। একেকজনের জন্য একেটা উপযোগি।নিজের লক্ষ্য স্থির করুন এভাবে;

* নিয়মিতভাবে ইংরেজি চর্চ্চার ব্যবস্থা করুন।

কোন কোর্স করে হোক অথবা ইন্টারনেটের বিনামুল্যের সাইটের মাধ্যমেই হোক।

* নিজে নিয়মিত কিছুটা পড়াশোনা করুন।

* লিষ্ট করে প্রতিদিন কয়েকটি নতুন শব্দ শিখুন

* প্রতিদিন অন্তত একটি লেখা পড়ুন।

ইন্টারনেটে অথবা খবরের কাগজে অথবা বই থেকে।

* অন্তত ১০ মিনিট ইংরেজি শোনা অভ্যেস করুন। রেডিও বা টিভিতে।

* মাসে অন্তত একটি ইংরেজি ছবি দেখুন, সংলাপ বোঝার চেষ্টা করুন।

আপনি কোন ধরনের শিক্ষাথী সেটা জানুন

শিক্ষার্ধ বিভিন্ন ধরনের হয়। একেকজন একেভাবে ভাল শেখেন। আপনার জন্য কোনটি ভাল পদ্ধতি জানার চেষ্টা করুন। শিক্ষার্থীর ধরন হতে পারে. ভিজুয়াল লার্নার

শেখার জন্য কি আপনার সামনে শিক্ষক থাকলে স্বাচ্ছন্দবোধ করেন।

ক্লাশে কি সামনের সারিতে বসতে পছন্দ করেন

ক্লাশে ছবি-চার্ট-ভিডিও ইত্যাদি কি ভালভাবে শিখতে সাহায্য করে

ক্লাশের সময় কি আপনি সবকিছু নোট করেন

যদি এগুলি আপনার জন্য ঠিক হয় তাহলে আপনার উচিত সাধারন কোন কোর্স করা। ব্যক্তিগতভাবে কোর্স করলে বেশি উপকৃত হবেন।

. অডিটরি লার্নার

আলোচনা, বক্তৃতা ইত্যাদি থেকে কি আপনি ভালভাবে শেখেন

কথা বলার সময় শব্দের উচু-নিচু, গতি কমবেশি করা এসব কি লক্ষ্য করেন

লেখা কিছু পড়ার থেকে কি অন্যের কাছে শোনায় স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

যদি এগুলি আপনার জন্য প্রযোজ্য হয় তাহলে রেডিও, টিভি বা অন্যভাবে শোনার ব্যবস্থা আপনার জন্য বেশি উপযোগি। নিজে পড়ার সময় জোরে শব্দ করে পড়ুন। সেটা রেকর্ড করে শুনুন।

. ট্যাকটাইল লার্নার

আপনি কি হাতেকলমে উদাহরন দেখে শেখায় স্বাচ্ছন্দবোধ করেন।

দীর্ঘ সময় বসে থাকতে কি বিরক্তবোধ করেন

খুব সহজেই কি মনোযোগ বাধাগ্রস্থ হয়

তাহলে আপনার জন্য দলীয়ভাবে অংশ নিয়ে শেখার ব্যবস্থা সুবিধেজনক।

অন্যান্য পদ্ধতি

ইংরেজিতে কথা বলে এমন কারো সাথে সময় কাটান। যে বিষয়ে আপনার আগ্রহ সেই বিষয়ের ইংরেজি ভিডিও দেখুন বা বইপত্র পড়ুন। ইংরেজি গান শুনুন। ইন্টারনেটে অন্যের সাথে ইংরেজিতে যোগাযোগ রাখুন।

নিজে নিজে ইরেজি শেখার পদ্ধতি ইংরেজিতে কথা বলা শিখতে চান। এজন্য কোর্স করতে চান স্পোকেন ইংলিশ জাতিয় কোন কোর্সে। কিন্তু তার প্রয়োজন কি যখন সেকাজ আপনি নিজেই করতে পারেন। এধরনের কোর্সগুলিতে কি শেখায়, কিভাবে শেখায় যদি জানা থাকে তাহলে তাদের কাছে যাবেন কেন ? কথাবলা বলতে আসলে কি বুঝায় সেবিষয়টি একবার লক্ষ্য করুন। আপনাকে কেউ ইংরেজিতে প্রশ্ন করলে আপনি সেটা বুঝবেন। আপনি উত্তর দেবেন ইংরেজিতে। প্রয়োজনে আপনি আরেকজনকে ইংরেজিতে প্রশ্ন করবেন, সে উত্তর দিলে আপনি বুঝবেন। এটাই তো বিষয়!

এবারে বিষয়টিকে ভেয়ে নিন। প্রথমে আপনাকে ইংরেজি শুনে সেকথার অর্থ বুঝতে হবে। বক্তা যে শব্দগুলি ব্যবহার করছে সেই শব্দগুলির অর্থ জানা থাকতে হবে। কাজেই আপনার প্রথম লক্ষ্য ইংরেজি শব্দ জানা।

নিজে শেখার পদ্ধতি : ১

আপনার চারিদিকে যে বিষয়, বস্তুগুলি রয়েছে সেগুলির দিকে তাকান। কোন কিছুর দিকে আংগুল দেখিয়ে তার ইংরেজি নাম বলুন। খুব দ্রুতই জেনে যাবেন আপনি কতটা ইংরেজি শব্দ জানেন আর কতটা বাকি। যেটুকু বাকি রয়েছে সেটা পুরন করার জন্য একটা ডিকশনারী রাখুন। এই চেষ্টা করতে থাকুন।ভুলে যাবেন না, বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে নতুন শব্দ শেখার ক্ষমতা কমে যায়। একজন শিশু যে পরিমান নতুন শব্দ শিখতে পারে আপনি সেটা পারবেন না। কাজেই হতাস না হয়ে সময় নিয়ে শব্দের ভান্ডার বাড়ান। ভুলে গেলে আবারও দেখে নিন।

নিজে শেখার পদ্ধতি : ২

আপনি যথেষ্ট পরিমান শব্দ জানেন বলেই আরেকজন বললে সেটা বুঝবেন এমন কথা নেই। আপনি হয়ত সিডিউল শব্দের সাথে পরিচিত, কেউ যদি বলে স্ক্যাজিউল তাহলে আপনি দ্বিধায় পরবেন। আসলে একই শব্দ। কেউ বলে নিকন কেউ বলে নাইকন। আমেরিকানরা ইরাককে বলে আইরাক। তার ওপর রয়েছে আঞ্চলিক টান, বলার অষ্পষ্টতা ইত্যাদি নানা বিষয়।কাজেই, অন্যের কথা শুনে বোঝার জন্য আপনাকে শোনার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। ইংরেজি শেখা যদি সত্যিকার অর্থেই প্রয়োজন মনে করেন তাহলে মনোযোগ দিয়ে ইংরেজি টিভির খবর দেখুন। বিবিসি, সিএনএন এরা এমন ভাষা ব্যবহার করে যা বিশ্বের সব এলাকার মানুষ সহজে বুঝতে পারে। ইংরেজি সিনেমা দেখে প্রতিটি কথা বোঝার চেষ্টা করুন। ইংরেজি শোনা অভ্যেস করুন।

নিজে শেখার পদ্ধতি : ৩

ইংরেজি শেখার মুল উদ্দেশ্যে ফেরা যাক আরেকবার। আপনি এবং আরেকজনের মধ্যে প্রশ্ন এবং উত্তর, এজন্যই ইংরেজি প্রয়োজন। একজন সঙ্গি ঠিক করুন যে আপনার মত ইংরেজি শিখতে আগ্রহি। আপনি তাকে প্রশ্ন করবেন, সে উত্তর দেবে। সে প্রশ্ন করবে আপনি উত্তর দেবেন। শর্ত একটাই, ঠিকভাবে উত্তর দিতে না পারলে আকারে-ইঙ্গিতে উত্তর বুঝাতে হবে, ইংরেজি ছেড়ে বাংলা বলা যাবে না। আকার-ইঙ্গিত সবচেয়ে জোড়ালো ভাষা যা সব মানুষ বোঝে। আপনি যত ভাল ইংরেজিই শিখুন না কেন, কখনো কখনো সেটা প্রয়োজন হয়।

কি প্রশ্ন করবেন ?একেবারে সাধারন প্রশ্ন দিয়েই শুরু করুন। আপনার নাম কি ? আপনার বাড়ি কোথায় ? আপনি কি পছন্দ করেন এইসব।

কয়েকদিন চেষ্টা করলেই দেখবেন ইংরেজি শেখাকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *